ক্রীড়া ডেস্ক
প্রকাশ: ১১:৪১, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ম্যাচজুড়ে বলের নিয়ন্ত্রণ ও আক্রমণে আধিপত্য ছিল সিটির। প্রায় ৭৮ শতাংশ সময় বল নিজেদের দখলে রেখে মোট ১১টি শট নেয় স্বাগতিকরা। এর মধ্যে তিনটি ছিল লক্ষ্যে, তবে শেষ পর্যন্ত গোল এসেছে একটিই।
শুরুতে অবশ্য ভুলের কারণে বিপদে পড়েছিল সিটি। ব্যাক পাস ঠিকমতো নিয়ন্ত্রণে নিতে না পারায় গোল হজম করতে বসেছিলেন গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মা। শেষ মুহূর্তে গোললাইন থেকে বল ফিরিয়ে দলকে রক্ষা করেন তিনি। পরে দোন্নারুম্মাকে একা পেয়েও সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি কভেন্ট্রি।
২৬ মিনিটে সিটিকে এগিয়ে দেন হালান্ড। অ্যান্তনিও সিমেনিওর ক্রসে সবার ওপরে উঠে দুর্দান্ত হেডে বল জালে পাঠান নরওয়েজিয়ান ফরোয়ার্ড। এই গোলের মাধ্যমে প্রিমিয়ার লিগে ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে হেডে ২০ গোল হলো হালান্ডের। ক্লাবটির হয়ে হেডে সবচেয়ে বেশি গোলের রেকর্ড এখন তার দখলে। এর আগে ১৯টি করে এই রেকর্ড ধরে রেখেছিলেন সার্জিও আগুয়েরো।
গোলটি ছিল হালান্ডের ক্লাব ক্যারিয়ারের ৩০০তম। ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে ১৬৫টি, বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের হয়ে ৮৬টি, রেড বুল সালজবুর্গের হয়ে ২৯টি এবং মোলদে এফকের হয়ে ২০টি গোল করেছেন তিনি। নরওয়ের জাতীয় দলের হয়ে তার গোল ৬২টি।
দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান বাড়িয়েছিলেন হালান্ড। ৬০ মিনিটে এনজো ফার্নান্দেজের পাস থেকে গোল করলেও অফসাইডের কারণে সেটি বাতিল হয়। এরপর আরও কয়েকটি সুযোগ তৈরি করেও দ্বিতীয় গোলের দেখা পায়নি সিটি।
তিন ম্যাচে তিন জয়ে ৯ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থান আরও শক্ত করেছে ম্যানচেস্টার সিটি। অন্যদিকে তিন ম্যাচে হেরে পয়েন্টহীন কভেন্ট্রি সিটি।
টিবিআই/আরআর