১৬ আশ্বিন ১৪৩৩, অক্টোবর ২, ২০২৬

সবুজের উদ্যোগ বাসিন্দাদের

হাওরপল্লীর সড়কে দেবদারু-বকুল

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৬:৫৬, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হাওরপল্লীর সড়কে দেবদারু-বকুল

বাসিন্দাদের উদ্যোগে হাওরপল্লীতে দেবদারু ও বকুল চারা লাগানো হচ্ছে । ছবি: টিবিআই

কিশোরগঞ্জের আবাসিক এলাকা ‘হাওরপল্লী’কে আরও সবুজ ও স্নিগ্ধ করে তুলতে সড়কের পাশে লাগানো হয়েছে দেবদারু ও বকুল ফুলের চারা। শুক্রবার জুমআর নামাজের পর আবাসিক এলাকার দুটি সড়কে এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে হাওরপল্লীর বাসিন্দারা উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে অংশ নেন।

আবাসিক এলাকার সভাপতি শাহ মো. ওবায়েদ উল্লাহ ও সাধারণ সম্পাদক মো. কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে কর্মসূচির শুরু হয়।

কর্মসূচিতে হাওরপল্লীর সদস্য মাহমুদুল হাসান আনোয়ার, মো. আলমগীর হোসেন, হাফেজ মাওলানা আতাউর রহমান, মো. হিজবুল্লাহ, বায়েজিদ বখতিয়ার, শামছুল ইসলাম উজ্জ্বল, মো. হুজাইফা, আরিফ রহমান ও মো. রাকিব উপস্থিত ছিলেন।

মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে অংশ নেন কমিটির সহসভাপতি ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ, মসজিদের খতিব মো. সানাউল্লাহ, মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, জিয়াউর রহমান ও শাহ ওবায়েদ নেহান।

হাওরপল্লীকে পরিবেশবান্ধব আবাসিক এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে দেবদারু ও বকুলের চারা লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান সংগঠনটির সভাপতি শাহ মো. ওবায়েদ উল্লাহ। তাঁর আশা, দেবদারুর গঠন ও বকুলের ঘ্রাণ হাওরপল্লীর পরিবেশকে আরও সুন্দর ও স্নিগ্ধ করে তুলবে।

সাধারণ সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান বলেন, “আবাসিক এলাকার সুন্দর এবং পরিবেশ উন্নয়নে দেবদারু ও বকুল চমৎকার। দেবদারুর সোজা গঠন স্থাপত্যে সুশৃঙ্খল আবহ তৈরি করে। সড়কের দুই পাশে দেবদারু থাকলে বাতাসের বেগ কমে, পরিবেশ শান্ত রাখে।”

তিনি বলেন, কিছুদিন পর বকুলের ঘ্রাণ হাওরপল্লীর সকাল ও সন্ধ্যা সতেজ করবে। বকুলের ফুল ঝরে সড়কে গালিচার মতো আবহ তৈরি হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

 

TBI/PP

আরও পড়ুন