আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ১২:৪৯, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ফরাসি শব্দ ‘ফোর্স ম্যাজুর’ বলতে কোনো চুক্তির অপ্রত্যাশিত বা নিয়ন্ত্রণের বাইরের ঘটনাকে বোঝায়। এমন ক্ষেত্রে শর্ত পূরণ করতে না পারা পক্ষকে দায়ী করা যায় না। কাতারের রাষ্ট্রীয় জ্বালানি প্রতিষ্ঠান কাতারএনার্জি চলতি সপ্তাহে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানকে জানিয়েছে যে এলএনজি সরবরাহ স্থগিতের সিদ্ধান্ত নভেম্বর পর্যন্ত বহাল থাকবে।
আরও দুজন ব্যক্তির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভারতের অন্তত একজন ক্রেতাকে সরবরাহ স্থগিতের কথা জানানো হয়েছে। ইতালির এডিসন এসপিএ জানিয়েছে, তাদের এলএনজি সরবরাহ ডিসেম্বরের শুরু পর্যন্ত স্থগিত থাকবে।
বিষয়টি নিয়ে মন্তব্যের অনুরোধ করলেও কাতারএনার্জি তাৎক্ষণিকভাবে জবাব দেয়নি। ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে কাতারএনার্জি প্রায় প্রতি মাসেই ‘ফোর্স ম্যাজুর’ পরিস্থিতি ও সরবরাহ স্থগিতের বিষয়ে ক্রেতাদের জানিয়ে আসছে।
চলতি মাসে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি সরবরাহের পরিমাণ কিছুটা বাড়িয়েছে কাতার। কিন্তু এটি যুদ্ধ শুরুর আগের তুলনায় অনেক কম।
সম্প্রতি ইরান জানিয়েছে, প্রণালি খুলে দেওয়ার শর্তে তারা কোনো ছাড় দেবে না। অন্যদিকে দেশটির সঙ্গে চুক্তিতে পৌঁছানো নিয়ে পরস্পরবিরোধী ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
এমন পরিস্থিতিতে সরবরাহ সংকট আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে এশিয়া ও ইউরোপে এলএনজির দাম ২০২২ সালের শেষ দিকের পর প্রায় সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
টিবিআই/আরআর