ক্রীড়া ডেস্ক
প্রকাশ: ১৩:৩৩, ৩ অক্টোবর ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
১৯ বছর বয়সী ফ্লোরেস নিজের ক্লাবের প্রথম বিভাগে অভিষেক হওয়ার পর সিনিয়র জাতীয় দলে পৌঁছাতে সময় নিয়েছেন মাত্র ৭৬ দিন, যা আর্জেন্টাইনদের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুততম। এ বছরের ১৬ জুলাই কোপা আর্জেন্টিনার শেষ ষোলোর ম্যাচে সারমিয়েন্তোর বিপক্ষে বোকা জুনিয়র্সের হয়ে ২-০ ব্যবধানের জয়ে অভিষেক হয়েছিল তার। সেই ম্যাচে একটি গোলও করেছিলেন ফ্লোরেস।
ফ্লোরেস ভাঙলেন সতীর্থ তমাস আরান্দার রেকর্ড। ক্লাউদিও উবেদার কোচিংয়ে এ বছরের ২৮ জানুয়ারি বোকার হয়ে অভিষেকের ১২৯ দিন পর, গত ৬ জুন হন্ডুরাসের বিপক্ষে অভিষেক হয়েছিল আরান্দার।
নতুন রত্নটি কেবল তার সতীর্থকেই পেছনে ফেলেননি, বরং ডিয়েগো ম্যারাডোনা ও লিওনেল মেসির মতো কিংবদন্তিদের রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে গেছেন। ক্লাব ফুটবলে অভিষেকের পর জাতীয় দলে ম্যারাডোনা প্রথম ম্যাচ খেলেছিলেন ১৩০ দিন বাদে। অভিষেকের আগে মেসি বার্সেলোনার হয়ে খেলেছিলেন ৩০৫ দিন।
আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি ফ্লোরেসের অভিষেক নিয়ে বলেন, ‘যেকোনো কোচের জন্যই কোনো খেলোয়াড়কে অভিষেক করার সুযোগ দেওয়াটা বেশ রোমাঞ্চকর। মাঠে নামার ঠিক আগের মুহূর্তে খেলোয়াড়দের চোখে-মুখে সেই আনন্দ দেখা যায়। পুরো ম্যাচজুড়ে জাতীয় দলের জার্সি গায়ে খেলার অনুভূতি এবং এর পেছনে যে কড়া শ্রম লুকিয়ে থাকে; তার সবই ফুটে ওঠে। জাতীয় দলের জার্সি পরে দেশের প্রতিনিধিত্ব করা সত্যিই এক মহা সৌভাগ্যের বিষয়।’
আরও কয়েকজন আর্জেন্টাইন আছেন যাদের ক্লাবের আগে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলে অভিষেক হয়েছিল! হাভিয়ের মাসচেরানোর ক্লাবে অভিষেকের ১৮ দিন আগেই জাতীয় দলে অভিষেক হয়েছিল।
তালিকায় আরও রয়েছেন মার্সেলো ত্রোবিয়ানি (৬৩ দিন আগে), হোর্হে চেকি (১২২ দিন আগে), এমানুয়েল মামানা (১২৪ দিন আগে) এবং আলেহান্দ্রো দেবেলে (২৭৮ দিন আগে)।
টিবিআই/আরআর